ঘুর্নিঝড় আম্পানের ভয়াল থাবায় পাবনার কলাচাষীদের মাথায় হাত

0
40
র ই রনি : পাবনায় ঘুর্নিঝড় আম্পানের ভয়াল থাবায় কলাচাষীদের মাথায় হাত : ব্যাংকের ঋণসহ সার্বিক ক্ষতি কিভাবে কাটিয়ে তুলবেন এ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। আশুতোষ পুর মন্ডল পারা আমিনদ্দিন মন্ডলের ছেলে কলা চাষী মাসুদ রানা মনসুর, বলেন বিভিন্ন সংস্থার কাছে থেকে কিস্তি নিয়ে বাগান করেছিলাম ভাই, এই ঝড়ে সব ধ্বংস করে দিল এখন সরকার সহযোগিতা না করলে পালানো ছাড়া আর কোন রাস্তা খোলা নেই ভাই । কৃষি বিভাগ বলছে সরকারী কোন ধরনের সহযোগিতা আসলে তারা তা নিয়ে দাড়াবেন কৃষকদের পাশে। পাবনা কৃষিক্ষেত্রে এক অনন্য নাম। এখানকার লিচু আম কলাসহ নানান সবজীর ভান্ডার হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিত নাম পাবনা। এখান থেকে সকল ধরনের কৃষিজপণ্য পৌছে দেশের নানাস্থানে। কয়েকদিন আগের ভয়াবহ ঘুর্নিঝড় আম্পাণের ভয়াল থাবা ভেঙে চুর্ন বিচুর্ন করেছে কৃষকের স্বপ্ন। পাবনাতে ব্যাপক ক্ষতির সন্মুখিন হয়েছেন কলাচাষীরা। পাবনা সদরের হেমায়েতপুর, দোগাছী, ভাড়ারা, চরতারাপুর, ঈশ^রদীর আওতাপাড়া,পাকশি, ছিলিমপুর, লক্ষিকুন্ডাসহ জেলাজুড়েই হয় কলাচাষ। শত শত বিঘার কলাগাছ ভেঙে পড়েছে আম্পানের ভয়াল থাবায়। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কৃষককুল। তাদের চোখেমুখে এখন কান্নার ছাপ। এসব কৃষকদের বেশিরভাগই জমি লিজ নিয়ে চাষ করেছেন কলাগাছ। ব্যাংক থেকে নিয়েছেন ঋণ। অনেকে আবার লাভের আশায় অন্যের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে সে টাকা লাগিয়েছেন কলাচাষে। আম্পানের নির্মমতায় জমিতে লাগানো তাদের সর্বস্থ হারিয়ে এখন দিশেহারা তারা। বলছেন, কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। এখন তাদের দেনাদায়ে জেরবার অবস্থা জীবনের।  এখন এমন অবস্থা দাড়ালো যে পালানো ছাড়া আরে কোন রাস্তা খোলা নেই তাদের। তারা এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে চান সরকারের সহযোগিতা। আর কৃষি বিভাগের পাবনাস্থ উপ পরিচালক কৃষিবিদ আজাহার আলী জানান আম্পানের ভয়াল থাবায় কৃষকেরা ব্যাপক ক্ষতির সন্মুখিন হয়েছেন। ঝড়ের পরে কৃষি কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এসব ক্ষতিগ্রস্থ করেছেন। এই ঝড়ে প্রায় ষাট কোটি টাকার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কৃষকেরা। তবে ৭৫ শতাংশ কলা হারভেষ্ট করা হয়েছে। বাকি ২৫ শতাংশ ক্ষতির শিকার হয়েছে। কৃষি বিভাগ ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পাশে আসে। সরকার যদি এসব কলাচাষীদের জন্য কোন ধরনের সহযোগিতা করে তা নিয়ে কৃষকদের পাশে দাড়ানো হবে। পাবনাতে ২৯শ হেক্টর জমিতে কলাচাষ করা হয়েছে এবার। কৃষকদের প্রত্যাশা সরকারের সহযোগিতার মাধ্যমে তারা এই ক্ষতি সামান্য হলেও পুষিয়ে নেবেন। আর যদি কোন ধরনের সহেযাগিতা না পান,তাহলে বউ বাচ্চা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হবে তাদের। অথবা ধার দেনার শংকা নিয়ে পালিয়ে যেতে হবে তাদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here