সব দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত সরকার

0
26

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, ভারিবর্ষণ, শৈত্যপ্রবাহসহ সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে ।

তিনি বলেন, যে কোনো দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই বলেন- দুই হাত খুলে বাংলার মানুষের জন্য কাজ করো।

তারা যেন বোঝেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গে আছেন। দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

শনিবার আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসকে সামনে রেখে যুগান্তর মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় গোলটেবিল আলোচনার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সারা বিশ্বের কাছে দুর্যোগ মোকাবেলায় রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যা অন্যান্য দেশের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

জাতিসংঘের সদস্য দেশ হিসেবে প্রতি বছর ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস গুরুত্বের সঙ্গে পালন করে আসছে বাংলাদেশ। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে, ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে সুশাসন, নিশ্চিত করবে টেকসই উন্নয়ন’।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আতিকুল হক, ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান, ইন্সটিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবল স্টাডিজের পরিচালক ড. মাহবুবা নাসরিন, সাইক্লোন প্রিপারেডনেস প্রোগ্রাম (সিপিপি) পরিচালক (প্রশাসন) আহমদুল হক, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন, সেইভ দ্য চিলড্রেনের হিউমেনিটরিয়ান পরিচালক মো. মোস্তাক হুসেইন, ব্র্যাকের পরিচালক (হিউমেনিটেরিয়ান প্রোগ্রাম) মো. সাজেদুল হাসান, সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (সিপিআরডি) চিফ এক্সিকিউটিভ মো. সামসুদ্দোহা, বিএনকেএস-বান্দরবানের নির্বাহী পরিচালক লা সিং নু, ইউএন ওমেন-এর প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট দিলরুবা হায়দার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন ফ্রেন্ডশিপের সিনিয়র ডিরেক্টর কাজী এমদাদুল হক। জাপান ভূমিকম্পপ্রবণ রাষ্ট্র ছিল জানিয়ে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেখানে কোনো ভবন ধসের সংবাদ এখন আর পাওয়া যায় না।

সেখানে প্রতিটি ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করে গড়ে তোলা হচ্ছে। ১০ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্পে ৭০ তলার ভবন টিকে আছে। তাদের ভবনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে ভূমিকম্পে নষ্ট হবে না।

বাংলাদেশ সম্ভাব্য ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। কিন্তু ভূমিকম্প নিয়ে আমরা খুব বেশি কাজ করতে পারিনি। তবে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা, ভূমিকম্প পরবর্তীতে উদ্ধার কাজ- এগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা-সেমিনার করেছি।

ভূমিকম্প সহনীয় রাষ্ট্র গঠন করতে আমরা এত দিন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারিনি। বাংলাদেশকে ভূমিকম্প সহনীয় রাষ্ট্র করতে জাপানের জাইকার সঙ্গে আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, দেশে প্রতি বছর বজ পাতে ২০০ থেকে ২৫০ জন মানুষ মারা যান, যার অধিকাংশই হাওর অঞ্চলে। আমরা বজ পাতের পূর্বাভাস কেন্দ্র স্থাপনের পদক্ষেপ নিয়েছি। এটার কাজ চলছে এবং যন্ত্রপাতি এলে ৪০ মিনিট আগে সংকেত দেয়া হবে।

সংকেত দেয়ার পর তারা যেন নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন সেজন্য হাওরসহ বজ পাতপ্রবণ এলাকাগুলোতে এক তলাবিশিষ্ট আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করব।

ক্যাপ্টেন (অব.) তাজুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল। আমাদের এখানে থেমে থাকলেই চলবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং এ বিষয়ের স্টেকহোল্ডারদের সুপারিশ সংবলিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

যাতে যে কোনো ধরনের দুর্যোগ আসুক না কেন আমরা তা মোকাবেলা করতে পারি। তিনি বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে প্রকৃতির ন্যাচার পরিবর্তন হয়েছে।

২০ বছর আগে যেখানে হোচা দিয়ে মাছ মারতাম সেখানে এখন পানিই প্রবেশ করতে পারছে না। নদী থেকে বালি উত্তোলনের ফলে নদীর পাড় ভাঙছে।

বিদেশি সাহায্য নিয়ে নির্মিত সরকারি বড় বড় স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এসব বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

ফ্রেন্ডশিপের মতো এনজিওগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো একযোগে কাজ করলে অনেক বড় বড় দুর্যোগ মোকাবেলা সহজ হবে। হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে।

দুর্যোগ সচিব মো. মোহসীন বলেন, আন্তর্জাতিক দিবসটি পালনের জন্য আমরা সরকারি-বেসরকারি অংশীজনের সমন্বয়ের চেষ্টা করছি। ফ্রেন্ডশিপের মতো অনেকেই এগিয়ে আসছে।

বন্যাপ্রবণ এলাকায় ক্লাস্টারভিত্তিক ভিলেজ তৈরির বিষয়ে সরকার কাজ করছে। এখন আমাদের মাল্টিহেজার্ড নিয়ে কাজ করতে হবে। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, আম্পান, করোনা সব দুর্যোগকে একসঙ্গে মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুতি রাখতে হবে।

মানবিক সহায়তার বিষয় উল্লেখ করে ত্রাণ সচিব বলেন, ইউরোপের মানুষ আমাদের চেয়ে কম টাকা জমায়। পাক-ভারতীয় উপমহাদেশে টাকা জমানোর একটি অভ্যাস প্রচীনকাল থেকেই।

ইউরোপীয় দেশগুলোয় করোনার কারণে লকডাউনের ১০ থেকে ১৫ দিনের মাথায় সরকার থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা না দিলে তাদের খাবার তো দূরের কথা, পানি কেনা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

আমাদের জমানোর স্বভাব থাকার কারণে কিছুটা হলেও বেঁচে গেছি। যে কারণে করোনাকালেও তা আমাদের অনেকটা কাজে দিয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক আতিকুল হক তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় আমরা সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান একযোগে কাজ করছি। বক্তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সরকার।

বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে ড. মাহবুবা নাসরিন বলেন, হাওর অঞ্চলের দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার যথেষ্ট কাজ করছে। ভৌগোলিক কারণে দুর্যোগের ভিন্নতা দেখা দিচ্ছে।

দুর্যোগের ধরন দেখে তা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একা একা পরিবর্তন আনলেই চলবে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়গুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

দিলরুবা হায়দার বলেন, আমাদের দেশে যেসব স্থাপনা তৈরি করা হয়, তা রিপেয়ারিংয়ের অভাবে পরবর্তী সময়ে নষ্ট হয়ে যায়। সরকারি প্রকল্পগুলোয় কনস্ট্রাকশনের জন্য বরাদ্দ দেয়া হলেও রিপেয়ারিংয়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় না।

রিপেয়ারিংয়ের জন্য বরাদ্দের টাকাটা হরিলুটের আশঙ্কা থেকেই তা বরাদ্দ দেয়া হয় না। কারণ এটা কীভাবে খরচ হবে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় না। পরে পরিকল্পনা কমিশন তা বাদ দিয়েই স্থাপনা তৈরির অনুমোদন করে।

বাংলাদেশের রাস্তাঘাট এবং দুর্ঘোগ মোকাবেলায় শেল্টারগুলো রিপেয়ারিংয়ের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ জায়গায় নজর দেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

বান্দরবান বিএনকেএস’র নির্বাহী পরিচালক লা সিং নু বলেন, পাহাড়ের কথা কেউ বলে না। পার্বত্য এলাকায় শান্তি চুক্তির পর উন্নয়ন হয়েছে। আজ বন্যার কথা বলা হয়েছে, পাহাড় ধসের কথা বলা হয়েছে।

২০০০ সালের পর থেকে পার্বত্য এলাকায় উন্নয়ন শুরু হয়েছে। রাস্তার উন্নয়ন করতে গেলে আমাদের পরিবেশের কথা মাথায় রাখতে হবে। কীভাবে উন্নয়ন স্থায়ী হবে, ঝুঁকি কী হতে পারে- এসব ভাবতে হবে।

আমাদের খাদ্যের অভাব আছে, পানির অভাব রয়েছে। তিন দিন ধরে আমরা পানি খেতে পারছি না। পানির যে উৎসগুলো আছে, তার অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেছে। কিউ কারাডাং পর্যন্ত ইটভাটায় চলে গেছে।

পাহাড়ের গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। স্কুলগুলোকে দুর্যোগকালীন আশ্রায় কেন্দ্র বানানো হচ্ছে। স্কুল কি শেল্টার সেন্টার হতে পারে? সেখানে পর্যাপ্ত টয়লেট নেই, পানি নেই।

শেল্টারে নারী-পুরুষ একসঙ্গে খিচুড়ি খাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াচ্ছে। খাবার দিচ্ছে, কিন্তু পানি দিচ্ছে না। স্যালাইন দিচ্ছে, কিন্তু পানি দিচ্ছে না। পানি ছাড়া কীভাবে খাবে?

ব্র্যাকের পরিচালক (হিউমেনিটেরিয়ান প্রোগ্রাম) মো. সাজেদুল হাসান বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সবার উদ্যোগে অনেক সফলতা আমাদের আছে। তবে আমাদের করণীয় ক্ষেত্রে কিছু লিমিটেশন আছে।

যেমন হাওর অঞ্চলে অনেক কিছু করণীয় সম্পর্কে বলা আছে। কিন্তু সেগুলোর কতটুকু আমরা বাস্তবায়ন করতে পারছি, আর সেদিকে কতটুকু নজর দিতে পারছি, তা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সাইক্লোন প্রিপারেডনেস প্রোগ্রামের (সিপিপি) পরিচালক (অ্যাডমিন) আহমদুল হক বলেন, উপকূলের মানুষ এখন শুধু ঘূর্ণিঝড় নিয়ে নেই। দুর্যোগ চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এসব মানুষ।

এরপর নতুন যোগ হল কোভিড-১৯। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক দেড়গুণ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের পরিবর্তিত প্রেক্ষপটের সঙ্গে মেলাতে হলে দুটি কাজ করতে হবে- ভলেন্টিয়ার তৈরি এবং মানুষকে তৈরি করতে হবে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন বলেন, আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে প্রথমে বাঁধ করেছিলাম। আমরা সারা দেশে তীর প্রতিরক্ষা কাজ করছি।

বাঁধগুলোর উচ্চতা আগে যা ছিল, তা থেকে দশমিক ৬ থেকে ১ মিটার পর্যন্ত আমাদের বাড়াতে হয়েছে। আগামী ২০০ বছরেও যেন বাঁধগুলো ডুবে না যায়, সেদিকে লক্ষ রেখে ডিজাইন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন- প্রতিরক্ষা কাজগুলো যেন টেকসই হয়। সে অনুসারেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (সিপিআরডি) চিফ এক্সিকিউটিভ মো. সামসুদ্দোহা বলেন, আমাদের ডিজাসটার অ্যাসেসমেন্ট করতে হবে।

বাঁধ তৈরির সময় কৃষিকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি; কিন্তু পরিবেশকে গুরুত্ব দেইনি। দীর্ঘস্থায়ী বন্যা এবং দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ যদি হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে।

বন্যার আরেকটি খারাপ দিক হল দেশের মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। তারা কোথায় যাবে, কী করবে, সেটা একটা বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এটা একটা বড় সমস্যা। যখন ইমপেক্ট লং টার্ম হবে, তখন আমাদের রেসপন্সও লং টার্ম হতে হবে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের হিউমেনিটারিয়ান পরিচালক মো. মোস্তাক হোসেন বলেন, এ বছরের বন্যায় সাড়ে ৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আমাদের দেশে যারা বন্যাকবলিত এলাকায় বাস করেন, তারা জানেন যে কীভাবে বন্যা মোকাবেলা করতে হয়। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ ত্রাণ চায় না। তারা চায় দুর্যোগ মোকাবেলায় সঠিক ব্যবস্থা। তারা চায় বন্যার বাঁধ টেকসই হোক।

ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক রুনা খান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে একটি রোল মডেল তৈরি করেছে।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবাধিকার ইত্যাদি বিষয় জলবায়ুর সঙ্গে সম্পৃক্ত। জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও কাজ করে যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here